মো. মাসদার হোসেনের আইনজীবী সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করে তাঁকে কারণ দর্শানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
বুধবার বার কাউন্সিলের সভায় সর্বসম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত হয় বলে সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অবসর গ্রহণের পর মাসদার হোসেন আইন পেশায় ফেরেন। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য ছিলেন তিনি।
মাসদার হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগসংক্রান্ত একটি দৈনিকের ১২ এপ্রিলের প্রতিবেদন বার কাউন্সিলের নজরে এসেছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির ভাষ্য, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতাসহ পেশাগত নৈতিকতার প্রশ্ন বিবেচনায় নিয়ে বার কাউন্সিল সভা সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এ ব্যাপারে মাসদার হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রাথমিক উপাদান রয়েছে। তাই সাময়িকভাবে তাঁর সনদ স্থগিত করা হলো।
আরো পড়ুনঃ ট্যাগিং করে ময়মনসিংহে ১৬ আইনজীবীর প্রার্থিতা বাতিল
তাঁর সনদ কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে পর্যন্ত তাঁর সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
লিখিত এক বক্তব্যে মাসদার হোসেন বলেন, “আমার দৃঢ় বিশ্বাস, একটি মহল বিশেষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর ও অতিরঞ্জিত সংবাদ প্রকাশ করেছে।”
মাসদার হোসেন অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ। ১৯৯৫ সালে তিনি বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ছিলেন। তখন নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক্করণ–সংক্রান্ত মামলাটি তিনি ও তাঁর সহকর্মী বিচারকেরা দায়ের করেছিলেন। যেটি “মাসদার হোসেন মামলা” নামে পরিচিতি পায়।