বুধবার, মে ৬, ২০২৬

মিমো’র আত্মহত্যাঃ শিক্ষক সুদীপ রিমান্ড শেষে কারাগারে

গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে পুলিশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মিমোকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

তিন দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরো পড়ুনঃ মিমো’র মৃত্যুতে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুদীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ৩ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল ইসলাম এ মামলায় তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৬ এপ্রিল সকালে বাড্ডার বাসায় মুনিরা মাহজাবিন মিমোকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার বাবা। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। ওই ঘটনায় একইদিন মিমোর বাবা গোলাম মোস্তফা মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বাড্ডা থানায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজ দেখে বাদির মনে হয় যে, আসামি সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে তার মেয়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। আসামি ও মিমো গত ২৭ এপ্রিল রাত ১টায় সর্বশেষ ভিডিও কলে কথা বলেছে। ওই কথোপকথনের প্রেক্ষিতে বাদির মেয়ে আসামির দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আত্মহত্যা করেছে।

You may also like