ইস্টার্ণ রিফাইনারী চালু হচ্ছে বৃহস্পতিবার

ক্রুড অয়েলের অভাবে ইর্স্টান রিফাইনারিতে গত ১৪ এপ্রিল থেকে উৎপাদন র্কাযক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায়

দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারী পিএলসি বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে পরিশোধন কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশান্স) মামুনুর রশীদ খান বাসস’কে বলেন, “অপরিশোধিত তেলের (ক্রুড অয়েল) একটি চালান দেশে এসেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামীকাল বিকেল ৫টার পর পরিশোধন কার্যক্রম আবার শুরু হবে। প্রথমদিকে দৈনিক প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শুরুতে কারিগরি সমন্বয়ের প্রয়োজন হওয়ায় উৎপাদন কম রাখা হচ্ছে। যা পরবর্তীতে ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে।“

মামুনুর রশীদ খান আরও জানান, শোধনাগারের জন্য সৌদি আরব থেকে আসা “এমটি নাইনেমিয়া” জাহাজটি কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় নোঙর করেছে। এতে ১ লাখ ৯৪ হাজার মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল রয়েছে।

ইস্টার্ণ রিফাইনারী সূত্র জানায়, বর্তমান যে পরিমাণ মজুত তেল রয়েছে তা দিয়ে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ দিন পরিশোধন কার্যক্রম চালানো সম্ভব হবে। পরবর্তী অপরিশোধিত তেলের চালান চলতি মাসের ২০ তারিখের পর আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরো পড়ুনঃ দুই মাস পর ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ আসলো বাংলাদেশে

সূত্র আরও জানায়, সৌদি আরব থেকে চলতি মাসের ১০ থোক ১২ তারিখের মধ্যে নতুন চালান লোডিং হলে সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না। পরবর্তী চালানেও প্রায় ১ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল আসতে পারে। তা জাহাজের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে।

ইস্টার্ণ রিফাইনারী পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত বাসস’কে বলেন, “আজ দেশে অপরিশোধিত তেলের একটি চালান এসেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামীকাল থেকেই সর্বোচ্চ সক্ষমতায় পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে।“

ইরান যুদ্ধের জেরে সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ক্রুড অয়েলের চালান দেশে এসেছিল। ক্রুড অয়েলের অভাবে ইর্স্টান রিফাইনারিতে গত ১৪ এপ্রিল থেকে উৎপাদন র্কাযক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এ রিফাইনারির বার্ষিক শোধন ক্ষমতা ১৫ লাখ টন।

ক্রুড অয়েল শোধন করে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন, ফার্নেস অয়েল, কেরোসিন, জেট ফুয়েল, ন্যাপথা, বিটুমিন, এলপিজিসহ ১৩ ধরনের জ্বালানি উৎপাদন করছে ইস্টার্ন রিফাইনারি। তবে ডিজেলই উৎপাদন করে সবচেয়ে বেশি।

You may also like