বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এমপি বলেছেন, সঠিক নীতিমালা সহায়তা (পলিসি) পেলে বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব।
তিনি বলেন, সরকার দ্রুত সৌর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মেত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ১৫তম আন্তজার্তিক বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এক্সপো অ্যান্ড ডায়ালগ-২০২৬-এর উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন, খবর বাসস-এর।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশ সোলারে যাওয়ার জন্য রেডি, শুধু নীতিমালা দরকার। এই নীতিমালা পেলে, আমরা বাংলাদেশের সোলারে একটা বিপ্লব ঘটাতে পারি।“
তিনি বলেন, “শুধু সমস্যা হলো যে আমাদের নীতিমালা। কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী আমাদের নেতৃত্বে একটা কমিটি করে দিয়েছেন। এখন কিভাবে নীতিগত সহায়তা দিলে, আমরা খুব দ্রুত ইমপ্লিমেন্টেশনে যেতে পারি সে জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।“
তিনি জানান, চলতি মাসের মধ্যেই একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করার চেষ্টা চলছে এবং জুন মাসে ক্যাবিনেট অনুমোদনের পর, তা সরকারি আদেশ হিসেবে জারি করা হতে পারে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগোচ্ছে।
তবে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে মন্ত্রী বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে ৫,০০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
তিনি বলেন, “এই লক্ষ্য অর্জনের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।“
আরো পড়ুনঃ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য অব্যবহৃত সরকারি জমি দেয়া হবে
বৃহস্পতিবার মন্ত্রী বলেন, “আমি বিশ্বাস করি যে সরকার যদি কোনো সেক্টরকে ঠিকমতো নীতিগত সহায়তা দেয়, তাহলে তা দেশে বিপ্লব আনতে পারে।“
গার্মেন্টস খাতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আশির দশকে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি’র মতো নীতিগত সুবিধা দেওয়ার ফলেই দেশের তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
তিনি আরও বলেন, সৌর খাতের রেগুলেশন আরও শিথিল করা, ইনভার্টার, ফ্রেম ও প্যানেলসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সহজে আমদানির সুযোগ সৃষ্টি ও কর সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও সরকার কাজ করছে।
মন্ত্রী জানান, সরকার এখন ব্যাটারি স্টোরেজের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে দিনের বেলায় উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ব্যবহার করা যায়।
রুফটপ সোলার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে, গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে বিল সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এতে ভবন মালিকরা আর্থিক সুবিধাও পাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, প্রাইভেট এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে ঢাকা শহরের প্রত্যেকটা হাউসকে যদি আমরা এই সোলারের আওতায় নিয়ে আসতে পারি, তাহলে আমি মনে করি, ঢাকার যে লোড আছে, তা অনেকটাই কমে যাবে।
আরো পড়ুনঃ কৃষিমন্ত্রীঃ দেশের শতভাগ সেচ পাম্প চলবে সৌরবিদ্যুতে
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— আয়োজক এক্সপোনেট-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুল হক, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) চেয়ারম্যান মোজাফফর আহমেদ ও ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি)’র চেয়ারম্যান এম আজিজুর রহমান রিপন প্রমুখ।
২ বছরে ৮০০ মেগাওয়াট
দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ২০২৮ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ৮০৯.৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা করছে সরকার। বর্তমানে দেশে মোট ১,৪৫১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ সক্ষমতার প্রায় ৫.০১ শতাংশ।
বর্তমানে দেশে মোট ১,৪৫০.৬৭ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যার মধ্যে ১,০৭৩.৫ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত এবং ৩৭৭.১৭ মেগাওয়াট অফ-গ্রিড।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির অন্যান্য উৎসের মধ্যে ২৩০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ, ৬২ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ, ০.৬৯ মেগাওয়াট বায়োগ্যাস এবং ০.৪ মেগাওয়াট বায়োমাস থেকে উৎপাদিত হচ্ছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বাসস’কে জানান, “নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাড়ানো, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।“
তিনি বলেন, ২০২৮ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ৮০৯.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
জ্বালানি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ (রুফটপ সোলার) ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য প্রকল্পগুলো দেশের আমদানি-নির্ভর জ্বালানির ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।
আরো পড়ুনঃ ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে সরকার
বিপিডিবি কর্মকর্তারা জানান, ইতোমধ্যে ১৩টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ৫৭২.৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার অতিরিক্ত রুফটপ সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে, যা চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে চালু হবে।
তারা আরও জানান, বর্তমানে ১,১৭৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২৬টি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি সরকারি উদ্যোগে এবং ১,০৬২ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২০টি বেসরকারি খাতে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বিপিডিবি’র তথ্যমতে, ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত দেশে গ্রিডভিত্তিক মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। শিল্পখাতে নিজস্ব ব্যবহারের জন্য উৎপাদিত ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ ও অফ-গ্রিড নবায়নযোগ্য শক্তি যোগ করলে এই সক্ষমতা দাঁড়ায় ৩২ হাজার ৩৩২ মেগাওয়াটে।
গত শনিবার প্রকৃত বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১০ হাজার ৭৫৫ মেগাওয়াট, যেখানে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে তা ছিল ১৬ হাজার ৪৭৭ মেগাওয়াট।
চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা আনুমানিক ১৮ হাজার থেকে সাড়ে ১৮ হাজার মেগাওয়াট বলে ধারণা করা হচ্ছে।
টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা)-এর গবেষণা অনুযায়ী, দেশে মোট ১,৭৪৩.৭৬ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ সক্ষমতা রয়েছে, যার উৎস সৌর পার্ক, নেট মিটারিংভিত্তিক ছাদ সৌর এবং সোলার হোম সিস্টেম।
রাষ্ট্রায়ত্ত রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরপিসিএল) জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌর পার্ক স্থাপন করছে, যা ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়া, বেসরকারি খাত বা স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদকরা (আইপিপি) জাতীয় গ্রিডে আরও ১৩২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরো পড়ুনঃ বিদ্যুৎ বিভাগঃ টানা এক সপ্তাহ কোন লোডশেডিং হয়নি
জ্বালানি উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ সম্প্রতি জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরে ৫ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
তিনি বলেন, “এই লক্ষ্য অর্জনের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।“
জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত জ্বালানি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা জরুরি।
তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কোনো উদ্যোগ না থাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।“
বর্তমান লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-৭ (এসডিজি-৭)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ক্লিন)-এর প্রধান নির্বাহী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ হাসান মেহেদী বলেন, ‘১ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌর প্ল্যান্ট স্থাপন করলে প্রায় ২.৯৪ থেকে ৩ কোটি টাকা আমদানি ব্যয় সাশ্রয় সম্ভব।’
তিনি বলেন, মানুষকে ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনে উৎসাহিত করা গেলে সরকারের বিনিয়োগ ছাড়াই উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।
তিনি আরও জানান, পূর্বে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণ করা প্রায় ১৩ হাজার একর জমি এখনো অব্যবহৃত রয়েছে।
আরো পড়ুনঃ বড়পুকুরিয়ায় বিদ্যুত উৎপাদন আবার শুরু
তিনি বলেন, “নতুন জমি অধিগ্রহণের পরিবর্তে এই জমিতে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করলে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম ২৩ থেকে ২৫ শতাংশ কমানো সম্ভব।“
আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংস্থা (আইরেনা)’র সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে চীন, যার উৎপাদন ১২ লাখ ২ হাজার ১৭৮.৮ মেগাওয়াট। এরপর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ২ লাখ ১১ হাজার ৬১০.১ মেগাওয়াট ও ভারত ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫০১.৫ মেগাওয়াট।
এছাড়া, জার্মানি, জাপান, ব্রাজিল, স্পেন, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে।
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে ভিয়েতনাম বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৮,৭০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। ফিলিপাইন ২,৬০০ মেগাওয়াট, শ্রীলঙ্কা ১,০০০ মেগাওয়াট এবং পাকিস্তান ৮০০ মেগাওয়াট সরবরাহ করছে।
শ্রীলঙ্কা ২০৩০ সালের মধ্যে ৭০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। “সুরিয়া বালা সংগ্রামায়া” (সৌরবিদ্যুতের জন্য সংগ্রাম) কর্মসূচির মাধ্যমে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২০২৫ সালের মে মাসে ১,৭০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানও দ্রুততম সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশগুলোর একটি। দেশটির বর্তমান স্থাপিত সৌর সক্ষমতা প্রায় ৩২ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ ২০২২-এর পর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় পাকিস্তানে বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়। এরপর মানুষ বিকল্প হিসেবে সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
একই বিষয়ে সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দারিদ্র্য ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার সঙ্গে লড়াই করা সত্ত্বেও ২৪ কোটির বেশি মানুষের দেশ পাকিস্তান “বিশ্বের দ্রুততম সৌর বিপ্লবগুলোর অন্যতম” হওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করছে।