প্রতিবছরের মতো এবারও বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে।
সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই আহরণ নিশ্চিতের লক্ষ্যে সাগরে মাছধরায় নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ভোলা জেলার সাত উপজেলার প্রায় ৬৪,০০০ নিবন্ধিত জেলেকে খাদ্য সহায়তা দেবে সরকার।
নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই প্রত্যেক নিবন্ধিত জেলেকে ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ-এর চাল দেয়া হবে।
আরো পড়ুনঃ আত্মনির্ভরশীলতা বাড়াতে কৃষক কার্ড চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী
সরেজমিনে ভোলার বিভিন্ন মাছঘাট ও মেঘনা নদীর সংযোগ খালগুলোতে দেখা গেছে, তীরে ফিরতে শুরু করেছেন জেলেরা। সমুদ্র থেকে ফেরা ট্রলারগুলোর সংখ্যা বাড়ছে। জেলেরা নিজেদের জাল, ট্রলার ও সরঞ্জামাদি নিরাপদে রাখছেন। কেউ জাল মেরামত করছেন, কেউবা ট্রলারের ইঞ্জিনের কাজ করছেন।
জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ভোলা জেলার সাত উপজেলায় মোট ৬৩,৯৫৪ জন নিবন্ধিত সাগরে মাছধরা জেলে রয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৭,৫৬১ জন জেলে রয়েছেন চরফ্যাশন উপজেলায়। অন্যান্য উপজেলার মধ্যে দৌলতখানে ১১,৫৫০ জন, মনপুরায় ১০,১৮৫ জন, লালমোহনে ৮,৮০৪ জন, বোরহানউদ্দিনে ৭,৬৫০ জন, তজুমুদ্দিনে ৪,৫০৬ জন এবং সদর উপজেলায় ৩,৬৯৮ জন জেলে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছেন।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলা ও টাস্কফোর্স কমিটির পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মাছ ঘাটগুলোতে সচেতনতামূলক সভা ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে।