ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার তীব্র সমালোচনা করেছেন।
তিনি এ হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতির পরিপন্থী এবং অন্যায় বলে আখ্যায়িত করেছেন।
বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, “তারা দাবি করে যে আমরাই আসল সন্ত্রাসী। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারাই আসল সন্ত্রাসী।”
আরো পড়ুনঃ আমেরিকা-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার
এদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের শান্তি আলোচনা শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে, যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবরোধের কারণে পরিস্থিতি প্রতিকূলের দিকে যাচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া মার্কিন-ইসয়ায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ প্রায় ৩,৫০০ ইরানি নিহত হয়েছেন এবং আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফসহ অন্যদের মধ্যে সপ্তাহান্তে এক বৈঠক হয়। তবে সেই আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছিল।
আরো পড়ুনঃ আবার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা শুরুর আশা গুতেরেসের
মঙ্গলবার দিনের শুরুতে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরান ও পাকিস্তানের মধ্যে বার্তা বিনিময় হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনার বিষয়ে একমত হওয়ার কোনো তথ্য নেই।
অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের দুইজন সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তারা জানান, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই আলোচনার আয়োজন করতে চায় পাকিস্তান। তবে এই প্রস্তাব কার্যকর হওয়া নির্ভর করছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।