ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া ফাহমিদা হকের সম্পদের পরিমাণ ৬০,০০,০০০ টাকা।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে এ তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে আরও দেখা গেছে, বিএসসি পাস ফাহমিদা পেশায় লেখক ও বিশ্লেষক।
জনপ্রিয় টক শো “তৃতীয় মাত্রা”র উপস্থাপক জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী ফাহমিদা হক। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও সংরক্ষিত নারী আসনে দলটি তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছে।
ফাহমিদা হকের হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তিনি বছরে ব্যবসা থেকে আয় করেন ২,৫০,০০০ টাকার কিছু বেশি। চাকরি থেকে আয় করেন ৪,৩৩,০০০ টাকা। শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানত থেকে আসে ১২ হাজার টাকা।
আরো পড়ুনঃ জিল্লুর রহমানঃ স্ত্রী বিএনপির এমপি হলেও আমার অবস্থান বদলাবে না
এ ছাড়া অস্থাবর সম্পদের মধ্যে ফাহমিদার কাছে নগদ ৪,৮৩,০০০ টাকা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি তাঁর ব্যাংক হিসাবে ১২,০০,০০০ টাকার বেশি জমা রয়েছে বলে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
হলফনামার তথ্যানুযায়ী, ফাহমিদা হকের স্বামী জিল্লুর রহমানের নগদ আছে ৫২,০০,০০০ টাকার বেশি। আর তাঁর ব্যাংক হিসাবে আছে ৫৫,০০,০০ টাকার বেশি। জিল্লুর রহমানের ৫২,০০,০০০ টাকা দামের একটি গাড়ি রয়েছে। এই গাড়ি কিনতে ২৫,০০,০০০ টাকার ঋণ নিয়েছেন তিনি।
ফাহমিদা হকের স্থাবর সম্পদের মধ্যে ১৩,০০,০০০ টাকার কিছু বেশি মূল্যের অকৃষিজমি রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। হলফনামায় সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর ঘরে প্রযোজ্য নয় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
তার মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন ওঠার প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি জিল্লুর রহমান বলেন, “ফাহমিদার জনসম্পৃক্ততা আজকের বিষয় নয়। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি লেখালেখি, সামাজিক উদ্যোগ এবং নীতিনির্ধারণসংক্রান্ত আলোচনায় যুক্ত আছেন।” তিনি আরও বলেন, স্ত্রীর কারণে পেশাগত কাজে তাঁর অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হবে না।
তৃতীয় মাত্রার উপস্থাপক জিল্লুর রহমান প্রভাবশালী সংস্থা সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের সভাপতি।