‘জঙ্গি আস্তানায়’ ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার বিচার শুরু ৭ জুন

এই অভিযানের কয়েকদিন আগে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা করে জেএমবির একটি দল

রাজধানীর কল্যাণপুরের “জাহাজবাড়িতে” কথিত জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের নামে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি আগামী ৭ জুন।

প্রসিকিউশনের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে বুধবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ শুনানির এই দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী।

এই মামলায় গ্রেফতারকৃত দুই আসামি হলেন- সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক ও ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। আর ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিরা হচ্ছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ডিএমপির তৎকালীন অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান, তৎকালীন সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিএমপির তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায় ও তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন।

আরো পড়ুনঃ দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই, দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার তিন সপ্তাহ পর ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই কল্যাণপুরের “জাহাজবাড়ি” নামক বাড়িতে ৯ জনকে আটকে রেখে কথিত জঙ্গি নিধন অভিযানের নামে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগ দাখিলের পর প্রসিকিউশন জানায়, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা জানতে পেরেছে যে, ওই ৯ তরুণকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের কেউ কেউ দুই-তিন মাস ধরে ডিবি হেফাজতে ছিলেন। পরে তাদের ওই বাড়িতে জড়ো করা হয়। ঘটনার রাতে “ব্লক রেইড”-এর কথা বলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে হাজির হন। গুলি করে হত্যার পর তারা বিষয়টিকে “জঙ্গি হত্যা” হিসেবে প্রচার করেন।

You may also like