জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো আদানির ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

গত ২২ এপ্রিল মধ্যরাতের পর একটি ইউনিটের বিয়ারিং থেকে সতর্কসংকেতের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়

by নিজস্ব প্রতিবেদক

সোমবার সন্ধ্যা থেকে ভারতের আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রায় ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) সূত্র জানিয়েছে, আদানি প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিটটি সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সমন্বয় শুরু করে। বর্তমানে এটি ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

গত ২২ এপ্রিল আদানির সূত্র জানিয়েছিল, সেদিন মধ্যরাতের পর বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটের বিয়ারিং থেকে সতর্ক সংকেত পাওয়া যায়। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে গ্রিডে চাপ তৈরি হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের মার্চে আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। একই বছরের জুনে দ্বিতীয় ইউনিট জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করে।

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে নির্মিত এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে মোট ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়। আমদানিকৃত বিদ্যুৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর হয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।

আরো পড়ুনঃ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম লোডিং শুরু হচ্ছে আজ

বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ধীরে ধীরে আরও বাড়বে। এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করছে এবং দেশব্যাপী লোডশেডিং কমাতে ভূমিকা রাখছে।

বিপিডিবির কর্মকর্তারা আরও জানান, ২৮ এপ্রিল থেকে এসএস পাওয়ার এবং আরএনপিএল থেকে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ৬০০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা রয়েছে।

আরএনপিএল হচ্ছে বাংলাদেশের রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরপিসিএল) এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান নরিনকোর যৌথ উদ্যোগ। প্রতিষ্ঠানটি ২৮ এপ্রিল থেকে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে।

বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার সন্ধ্যায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট, যেখানে আদানি প্ল্যান্টের বিদ্যুৎ ছাড়া সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৭১২ মেগাওয়াট।

You may also like