মাঠে ধান কাটার সময় বুধবার দেশের ছয় জেলায় বজ্রপাতে অন্তত আটজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
ঝড়ের মধ্যে দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে নওগাঁয় তিন জন, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও নাটোরে একজন করে মারা যান, খবর বাংলা ট্রিবিউন-এর।
নওগাঁর নিয়ামতপুর এবং মহাদেবপুর উপজেলায় বজ্রাঘাতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে নিয়ামতপুরের চন্দননগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে এবং হাজিনগর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, “হাজিনগর ইউনিয়নে জমিতে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে এক শ্রমিক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহত শ্রমিক খাসের হাট ঊঠাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তবে তার নাম পরিচয় জানা যায়নি। এছাড়া চন্দননগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে জমি থেকে ধান তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে অনুকূল চন্দ্র মোহন্ত নামে আরও একজন নিহত হন।“
আরো পড়ুনঃ বজ্রপাত নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা ও স্পিকারের হাস্যরস
মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক বলেন, “উপজেলার খাজুর উনিয়নের কুড়াপাড়া গ্রামে জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে দিলীপ চন্দ্র বর্মন নামে এক কৃষক নিহত হন।“
এদিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে ওবায়দুল হক (৫৪) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে উপজেলার বদিজামালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওবায়দুল ওই গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে। নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী ইউনিয়নের ভুল্যারহাট এলাকায় ভুট্টাক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ইউসুফ আলী (৩৮) নিহত হন। কালীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওসমান গনি বিষয়টি জানান।
আরো পড়ুনঃ বজ্রপাতে ৯ কৃষকসহ ১২ জনের মৃত্যু
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আব্দুর রাশিদ (৬২) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। খারুয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল কদ্দুস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে সোহেল মিয়া (৩০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া নাটোরের লালপুরে কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আজিজ মন্ডল (৪৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের নওসাড়া সুলতানপুর চরে এ ঘটনা ঘটে। আজিজ মন্ডল ওই গ্রামের মোসলেম মন্ডলের ছেলে। লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বিষয়টি জানান।