প্রতিবাদ, নিন্দা আর সমালোচনার মুখে রাজধানীর মিরপুরের হজরত শাহ আলী (র.) মাজারে হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
মারধরের শিকার ও মাজারে নিয়মিত যাতায়াতকারী রেশমি বেগম নামের একজন ভুক্তভোগী শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় শাহ আলী থানায় মামলাটি করেছেন।
মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত জামায়াতে ইসলামীর ১০০-১৫০ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন, মো. আলী আকবর (৪৮), মো. বাপ্পা (৩৫), মো. বাবু (৪৫), মো. কাউসার (২৬), মো. আজম (৪০), শেখ মো. সাজ্জাদুল হক রাসেল (৩৮), কাজী জহির (৫২), মো. মিজান (৩৮) এবং কাজী পনির (৫০)। তারা সবাই শাহ আলী থানা এলাকার বাসিন্দা।

শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বাংলা ট্রিবিউনকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “মামলার পর অভিযান চালিয়ে শেখ মো. সাজ্জাদুল হক রাসেল ও মো. আজম নামে এজাহারভুক্ত দু’জন এবং ঘটনার ভিডিও ফুটেজ যাচাই করে মো. আরমান দেওয়ান নামের আরেকজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা এখনও অভিযান চালাচ্ছি। আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”
এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তিনি শাহ আলীর মাজারে প্রায় ১৭ বছর ধরে আসা-যাওয়া করেন। গত ১৪ মে রাতে মাজার জিয়ারতের সময় আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে মাজারে ঢুকে নারায়ে তাকবীর শ্লোগান দিয়ে জিয়ারতকারী ও মানতকারীদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। হামলাকারীরা মাজারের ভক্তদের গুরুতর জখম করে এবং মাজারের গাছের লাল কাপড় ছিঁড়ে ফেলে ও মোমবাতির প্লেট ভাঙচুর করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে।
হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে তারা আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং শ্লীলতাহানি ঘটায়। এক আসামি লাঠি দিয়ে আমার মাথায় গুরুতর আঘাত করে। হামলাকারীরা মাজারের জিয়ারতকারীদের কাছ থেকে ৯০ হাজার টাকার মতো চুরিও করেছে।