প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা পরবর্তী যে বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে—তার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ইনসাফ থাকবে। এমনকি শত্রুর প্রতি ইনসাফ থাকবে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে সরকারের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
“আমরা ক্ষমতা থেকে সরাতে চেয়েছি, কারণ তিনি ইনসাফ করেন নাই।” তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার প্রতি আমাদের ইনসাফ থাকবে।”
আরো পড়ুনঃ মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবি নাকচ করলেন উপদেষ্টা জাহেদ
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “শেখ হাসিনা যদি বাংলাদেশে ফেরত আসেন, তাকে কোনও এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিছু আমরা আসলে করবো না। আমাদের কাছে প্রতিজ্ঞা কী? আমরা জুডিশিয়ালি করবো। ওনার বিচার হয়েছে, ওনাকে আবার ডিফেন্ড করতে দেওয়া হবে। তাতে তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে যদি তিনি মুক্তি পান, টেকনিক্যালি বলছি, সেটা আমরা মানবো। আর যদি না হয় সেটা কার্যকর হবে। এটাই হচ্ছে ইনসাফ। কারণ মৃত্যুদণ্ড হওয়াও কিন্তু ইনসাফ যে আমি আপনাকে প্রপার বিচারিক প্রক্রিয়ায় কাজটা করেছি।”
এ সময় তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “আমরা জানি যেকোনও ধরনের একটা অভিযোগের কিন্তু প্রথম পর্যায়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তারপর ওটা একটা তদন্ত প্রক্রিয়ায় যায়। তারপর ওটা একটা প্রসিকিউশন পর্যায়ে যায়। তারপরে কিন্তু ওটা একটা লোক অপরাধী কি অপরাধী না চিহ্নিত হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটিতে যেকোনও একজন অপরাধী, যেকোনও একজন অভিযুক্ত অপরাধী নয়। এটা প্রমাণ করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা তিনি করতে পারেন। তিনি যদি চান রাষ্ট্র তাকে সহযোগিতা করবে। এটাই তো ন্যায্যবিচার। এটাই তো ইনসাফের কথা বলছে এবং আমরা যেকোনও ব্যক্তির ক্ষেত্রে পলাতক সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে একদম সাধারণ একজন নাগরিকের ক্ষেত্রে আমরা এই ইনসাফের নীতি এবং আমরা এই ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতিকে আমরা অনুসরণ করবো।”